
প্রতি বিশ্বকাপেই ইন্টারনেটে চীনা ফুটবল নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ওঠে।

জনগণের আবেগ মূলত আফসোস, সমালোচনা ও অসহায়তা; অভ্যাস অনুযায়ী জাতীয় দলের সংকটকে খেলোয়াড়ের সামর্থ্য, ম্যাচ-দিনের ফর্ম বা স্বল্পমেয়াদি কৌশলগত ভুলের ঘাড়ে চাপানো হয়।
কিন্তু এক জাতীয় দলের ফল দশকের পর দশকের শিল্প সঞ্চয়, সামাজিক কাঠামো, শিক্ষা-সংস্কৃতি ও প্রতিভা গঠনের ব্যবস্থার যৌথ ফল।
জাতীয় দলের দীর্ঘদিন বিশ্বকাপ মিস করা মানে ১৪০ কোটি মানুষ থেকে ১১ জন খেলোয়াড় বাছাই করতে না পারা নয়—পুরো ফুটবল বিকাশের বাস্তুতন্ত্রেই দীর্ঘস্থায়ী কাঠামোগত ত্রুটি আছে।
অনেকে অবাক হন—এত বড় দেশে ফুটবল প্রতিভা কেন শুকিয়ে যাচ্ছে। সত্য হলো অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কম নয়; উচ্চমানের প্রতিযোগিতামূলক প্রতিভার মজুদই খাড়াভাবে কমে গেছে।
২০২৪ সালের অক্টোবরে চীনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তথ্য সম্মেলনে প্রথমবার নিবন্ধিত খেলোয়াড়ের তথ্য প্রকাশ করে: সারা দেশে ৫৩.৯ লাখ নিবন্ধিত খেলোয়াড়।
২০২৪ সালের চীনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের «ডিজিটাল বার্ষিক প্রতিবেদন» অনুযায়ী দেশে নিবন্ধিত পেশাদার খেলোয়াড় মাত্র ২৭৪০ জন—পুরুষ ১৯৭৯, নারী ৭৬১।
এ সংখ্যা ফুটবল উন্নত দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম; যেমন জার্মানিতে দুই লাখেরও বেশি পেশাদার ও আধা-পেশাদার খেলোয়াড় আছে।
